ভর্তি ও চাকরির পরীক্ষাগুলো খুবই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। এখানে অল্পসময়ে বিভিন্ন বিষয়ের উপর পরীক্ষা দিতে হয়। তাই নিচের বিষয়গুলো পালন করা জরুরি –

পরীক্ষার দিন সময়মতো পরীক্ষার কেন্দ্রে উপস্থিত হবেন।

পরীক্ষার হলে ভয় পাওয়া যাবেনা। মাথা পুরোপুরি ঠান্ডা রাখতে হবে।

প্রবেশপত্রসহ আনুষঙ্গিক অনুমোদিত জিনিস সঙ্গে নিয়ে যাবেন। যেমন কলম, পেন্সিল ইত্যাদি অনুমোদিত জিনিসপত্র।

অপরদিকে পরীক্ষার হলে অনুমোদন নাই এমন জিনিসপত্র কোনো অবস্থাতেই হলে নেওয়া যাবে না।

প্রতিটি বৃত্ত নির্দেশনা অনুযায়ী ভালোভাবে ভরাট করবেন। ব্যবহৃত পুরাতন মোটা কালো কালির বলপয়েন্ট কলম হলে তাড়াতাড়ি বৃত্ত ভরাট করা যায়।

প্রশ্নের সেট ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভালো করে খেয়াল করবেন। প্ৰয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে উত্তরপত্রে লিখবেন।

হাজিরা খাতায় নিজের নাম ও ছবি দেখে স্বাক্ষর করবেন। প্রবেশপত্রে যে স্বাক্ষর দিয়েছেন, হুবহু সেই স্বাক্ষর করবেন।

প্রশ্ন দ্রুত পড়বেন এবং সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্নের সিরিয়াল অনুসারে বৃত্তও ভরাট করে ফেলবেন। তবে গণিত ও মানসিক দক্ষতা অংশ পরে উত্তর করা ভালো।

এমসিকিউ পরীক্ষায় বৃত্ত ভরাটের সময় প্রশ্নের ক্রমিক নম্বর ভালো করে খেয়াল করবেন। অপশনের ক, খ, গ, ঘ কোন ফরম্যাটে আছে, তা-ও খেয়াল রাখুন।

অনেক পরীক্ষায় ভূল উত্তরের জন্য মার্ক কাটা হয়, তাই পরীক্ষায় আন্দাজে কোনো উত্তর দেওয়া যাবে না।

কতটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আসবেন, তার কোনো টার্গেট থাকা যাবে না। এটি নির্ভর করবে আপনার জানার ওপর।

টার্গেট করে সবগুলো উত্তর দিতে যাবেন না। যতগুলো পারেন মনোযোগ দিয়ে প্রশ্ন পড়ে ততগুলোর সঠিক উত্তর দিবেন।

একই প্রশ্নের একাধিক উত্তর সঠিক হলে অপশনের প্রথমে যেটা, সেটা দিয়ে আসবেন। আবার কোনো সঠিক উত্তর না থাকলে ওই প্রশ্ন রেখেই আসবেন। ঝুঁকি নেওয়ার দরকার নাই।

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আশপাশের কোনো পরীক্ষার্থীর ওপর নির্ভর করবেন না।

পরীক্ষার হলে কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে অযথা বিতর্কে যাবেন না।

মন্তব্য